İstanbul nakliyat
12-12-2016
Bibiyana-Kaliakoir 400 KV transmission Line charged


পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিঃ (পিজিসিবি) কর্তৃক নবনির্মিত বিবিয়ানা-কালিয়াকৈর ৪০০ কেভি ডবল সার্কিট বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ১২ ডিসেম্বর ২০১৬ খ্রিঃ, সোমবার বিকাল ৪.১০ ঘটিকায় চালু করা হয়েছে। হাইভোল্টেজ এ লাইনের মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের বিবিয়ানায় নির্মিত ও নির্মিতব্য কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত প্রায় এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে সঞ্চালন করা সহজ হবে। পাশাপাশি নতুন এই লাইন চালুর ফলে জাতীয় গ্রীডের সক্ষমতা অনেকাংশে বাড়বে।\r\nনতুন নির্মিত এ লাইনের দৈর্ঘ্য ১৭০ কিলোমিটার। লাইনটি হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ, বানিয়াচং ও আজমেরীগঞ্জ উপজেলা; কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা, মিঠামইন, নিকলি, করিমগঞ্জ, কটিয়াদি ও পাকুন্দিয়া উপজেলা; ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলা; এবং গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া, শ্রীপুর, গাজীপুর সদর ও কালিয়াকৈর উপজেলার উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে।\r\nসোমবার বিকাল ৪.১০টায় গাজীপুরের কালিয়াকৈর প্রান্ত হতে লাইনটি ৪০০ কেভি (চার লাখ ভোল্ট) বিদ্যুৎ দ্বারা চালু করা হয়ে; যা বিদ্যুতায়িত অবস্থায় রয়েছে। এটি দেশে ৪০০ কেভি ভোল্টেজে চালু প্রথম বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন। পিজিসিবি’র মেঘনাঘাট-আমিনবাজার প্রথম ৪০০ কেভি ক্ষমতাসম্পন্ন লাইনটি ২৩০ কেভি ভোল্টেজে চালু করা আছে। বিবিয়ানা-কালিয়াকৈর এ নবনির্মিত লাইনের জন্য উভয়প্রান্তে ৪০০/২৩০ কেভি গ্রীড সাবস্টেশন নির্মাণ করেছে পিজিসিবি।\r\nনতুন লাইনটি সিলেট ও ঢাকার মধ্যে ‘ব্যকবোন লাইন’ হিসাবে নির্মাণ করা হয়েছে। বিবিয়ানায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং বেসরকারি খাতের একাধিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র আছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলো হতে নিকট ভবিষ্যতে প্রায় এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে যা এই নতুন বিদ্যুৎ লাইনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রীডে সঞ্চালন করা যাবে। পিজিসিবি’র ডবল সার্কিট এ লাইনের প্রতি সার্কিটের সঞ্চালন সক্ষমতা প্রায় ১,২০০ মেগাওয়াট।\r\nবিবিয়ানা ছাড়াও সিলেট অঞ্চলে আরও বেশ কিছু সংখ্যক ছোট-বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে আছে। প্রয়োজনে সেসব বিদ্যুৎও এ লাইনে ঢাকা হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সঞ্চালন করা যাবে। উক্ত লাইনটি বিবিয়ানা-কালিয়াকৈর ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন এবং ফেঞ্চুগঞ্জ-বিবিয়ানা ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইন উন্নয়ন প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। এ প্রকল্পটি কোরিয়া সরকারের ইডিসিএফ, বাংলাদেশ সরকার এবং পিজিসিবি’র সম্মিলিত অর্থায়ণে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।